রিলেশনাল ডাটাবেস (MySQL, PostgreSQL) এবং নন-রিলেশনাল ডাটাবেস (MongoDB)

Web Development - ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট (Website Development) - ডাটাবেস এবং ডেটা ম্যানেজমেন্ট
240

ডাটাবেস হলো একটি সংগঠিত ডেটা সংগ্রহস্থল যা থেকে ডেটা সহজে সংরক্ষণ, অনুসন্ধান এবং পরিচালনা করা যায়। সাধারণত ডাটাবেসকে রিলেশনাল (Relational) এবং নন-রিলেশনাল (Non-Relational) এই দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।


রিলেশনাল ডাটাবেস (Relational Database)

রিলেশনাল ডাটাবেস হলো এমন একটি ডেটাবেস যা টেবিলের (Tables) মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করে এবং সারির (Rows)কলামের (Columns) মধ্যে সম্পর্ক গঠন করে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ

  1. টেবিলভিত্তিক স্ট্রাকচার:
    ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষিত হয়, যেখানে প্রত্যেকটি টেবিল একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ডেটা ধারণ করে।
  2. SQL (Structured Query Language):
    ডেটা পরিচালনা ও অনুসন্ধানের জন্য SQL ব্যবহার করা হয়।
  3. ACID প্রপার্টি:
    • Atomicity: একটি ট্রানজেকশন সম্পূর্ণ বা বাতিল হবে।
    • Consistency: ডেটা সবসময় সঠিক এবং সুনির্দিষ্ট থাকবে।
    • Isolation: একাধিক ট্রানজেকশন একে অপরের উপর প্রভাব ফেলবে না।
    • Durability: সফল ট্রানজেকশন স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে।
  4. ডেটার মধ্যে সম্পর্ক:
    টেবিলগুলোর মধ্যে প্রাইমারি কী (Primary Key) এবং ফরেন কী (Foreign Key) ব্যবহার করে সম্পর্ক গঠন করা হয়।

জনপ্রিয় রিলেশনাল ডাটাবেস

১. MySQL

  • MySQL একটি ওপেন-সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি ছোট-বড় সব ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য জনপ্রিয়।
  • ব্যবহার: ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম (WordPress)।

উদাহরণ:

CREATE TABLE users (
    id INT AUTO_INCREMENT PRIMARY KEY,
    name VARCHAR(50),
    email VARCHAR(100),
    age INT
);

২. PostgreSQL

  • PostgreSQL একটি শক্তিশালী ওপেন-সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেস। এটি অ্যাডভান্সড ফিচার যেমন জিওগ্রাফিকাল ডেটা, কাস্টম ডেটা টাইপ সমর্থন করে।
  • ব্যবহার: বড় অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা ইন্টিগ্রিটির জন্য আদর্শ।

উদাহরণ:

CREATE TABLE employees (
    id SERIAL PRIMARY KEY,
    name TEXT,
    department TEXT,
    salary NUMERIC
);

নন-রিলেশনাল ডাটাবেস (Non-Relational Database)

নন-রিলেশনাল ডাটাবেস ডেটা সংরক্ষণে টেবিলভিত্তিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করে না। এটি মূলত ডকুমেন্ট, কী-ভ্যালু পেয়ার, গ্রাফ বা কলেকশন আকারে ডেটা সংরক্ষণ করে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ

  1. Flexibility:
    নন-রিলেশনাল ডাটাবেসে ডেটার স্কিমা (Schema) ফিক্সড নয়। ফলে দ্রুত পরিবর্তন করা যায়।
  2. JSON ভিত্তিক স্টোরেজ:
    ডেটা সাধারণত JSON বা BSON ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা হয়।
  3. Horizontal Scaling:
    বড় ডেটার জন্য নন-রিলেশনাল ডাটাবেস সহজে হরিজন্টাল স্কেল করতে পারে।
  4. High Performance:
    এটি দ্রুত রিড এবং রাইট অপারেশন পরিচালনা করতে পারে।

জনপ্রিয় নন-রিলেশনাল ডাটাবেস

MongoDB

  • MongoDB একটি ডকুমেন্ট-ভিত্তিক নন-রিলেশনাল ডাটাবেস। এটি JSON এর মতো ডেটা ফরম্যাট BSON ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে।
  • ব্যবহার: ফ্লেক্সিবল এবং দ্রুত ডেটা ম্যানেজমেন্টের জন্য, যেমন রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশন।

MongoDB উদাহরণ:

{
  "_id": "1",
  "name": "John Doe",
  "email": "john@example.com",
  "age": 28
}

MongoDB তে একটি ডেটাবেসে ডেটা কলেকশন (Collections) আকারে থাকে এবং প্রত্যেক কলেকশন ডেটাকে ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে।

ডকুমেন্ট তৈরি (Insert):

db.users.insertOne({
    "name": "Jane Doe",
    "email": "jane@example.com",
    "age": 25
});

রিলেশনাল এবং নন-রিলেশনাল ডাটাবেসের পার্থক্য

বৈশিষ্ট্যরিলেশনাল ডাটাবেসনন-রিলেশনাল ডাটাবেস
স্ট্রাকচারটেবিল ভিত্তিকডকুমেন্ট, কী-ভ্যালু, গ্রাফ
স্কিমাফিক্সড স্কিমাডায়নামিক স্কিমা
ল্যাঙ্গুয়েজSQL (Structured Query Language)NoSQL (Non-SQL)
ডেটার সম্পর্কটেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক থাকেসম্পর্ক কম বা নেই
পারফরম্যান্সকমপ্লেক্স কোয়েরি সহজে চলেদ্রুত রিড এবং রাইট অপারেশন
স্কেলিংVertical ScalingHorizontal Scaling

সারসংক্ষেপ

  • MySQL এবং PostgreSQL এর মতো রিলেশনাল ডাটাবেস ব্যবহার করা হয় সুনির্দিষ্ট এবং সম্পর্কযুক্ত ডেটার জন্য যেখানে টেবিলভিত্তিক স্ট্রাকচার প্রয়োজন।
  • MongoDB এর মতো নন-রিলেশনাল ডাটাবেস ব্যবহার করা হয় যেখানে ফ্লেক্সিবল এবং দ্রুত ডেটা সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়।

আপনার প্রকল্পের চাহিদার উপর ভিত্তি করে রিলেশনাল বা নন-রিলেশনাল ডাটাবেস নির্বাচন করতে হবে। ছোট স্কেল থেকে বড় স্কেল অ্যাপ্লিকেশন পর্যন্ত উভয় ধরনের ডেটাবেসের নিজস্ব কার্যকারিতা এবং সুবিধা রয়েছে।

Content added By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...